Literary Seminar Overview

Exciting and introspective Literary Seminars at NABC 2022.

1. Immigrant Bengali Life and Literature
2. The Role of Bengali Women in Literature and Creativity
3. The Role(advantage/disadvantage) of Printing and social media in Bengali Literature
4. The continuous evolution of Bengali Literature
5. The influence of Cartoon in Bengali Literature
6. The Music based poetry of present day
7. Iswar Chandra Vidysagar and Raja Ram Mohan’s influence in Bengali Literature and Bengali Life
8. Interaction between writers of North America and the attending audience.

“Our culture, our heritage, our language is the foundation on which we build our identity.” That which contains literature, enlivens and enriches any language. And we will prove once again that we have not forgotten our language, our heritage and our culture from afar. These past two years, virtual happy hours have kept our social connections alive but we have learned that connection isn’t the same when it’s remote.  We know that uncertainty reigns. But for the first time ,it seems we can reasonably think about the future – we are no longer looked down in the “perpetual present.” So We are Ready To Double Down the Joy of physical contact with real people. Well, eminent poets and writers from India, Bangladesh, USA and Canada are joining our Literary Seminar in Las Vegas. 
  • Want to read your creative writing in front of them?
  • Want to join a panel discussion with them on various topics?
  • Want to hear their original stories or poems?
  • Want to hear their own life story?
  • Then you have to join our Literary Seminar and “Antarango Adda”.
  • Let’s  make the Literary Seminar a success at the North American Bengali Conference (NABC 2022) to be held in Las Vegas on July 1, 2 and 3.
And let the famous auditorium of Las Vegas resonate our “Bangaliana” in our own “Bangla Bhasha”.

Krishnendu Mukhopadhyay

কৃষ্ণেন্দু ইছাপুর নর্থল্যান্ড হাইস্কুলে স্কুলে পড়াশোনা করেন।  তিনি বিজ্ঞানে স্নাতক এবং পরে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং এমবিএ করছেন।  শৈশব থেকেই, কৃষ্ণেন্দু শিল্প ও সঙ্গীতের প্রতি ঝোঁক ছিল এবং বহু বছর ধরে তিনি একজন প্রশিক্ষিত সরোদ বাদক।  গল্প বলার এবং সেগুলি লেখার প্রতি তার আগ্রহ অল্প বয়স থেকেই লক্ষ্য করা যায়।  2005 সালে, তিনি শেষ পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে সম্মানিত এবং নেতৃস্থানীয় মিডিয়া হাউস আনন্দবাজার পত্রিকা সাথে এবং তারপর থেকে স্থানীয় বাংলার পাক্ষিক সাময়িকী, দেশ পত্রিকায় নিয়মিত অবদান রাখতে শুরু করেন।  2006 সালে তার রহস্য গল্প ‘ব্রহ্মকমল’ দেশ আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার জিতেছিল।  পরের বছর তার বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ‘পূর্বা’ দ্বিতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়। তাঁর লেখা ছোটগল্প আনন্দমেলা, উনিশ-কুড়ি, সানন্দা, কিশোর ভারতী ইত্যাদি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ছিল রাধিকা (জানুয়ারি 2008)।  তার সিরিয়াল উপন্যাস আয় ঘুম (ঘুমের আমন্ত্রণ; একটি লুলাবি) প্রায় 2 বছর ধরে (2009-2010) দেশে সিরিয়াল প্রকাশিত হয়েছিল। প্রকাশিত বই: শীর্ষস্থানীয় বাংলা প্রকাশনা সংস্থাগুলি থেকে প্রকাশিত হয়েছে 30টি বই,যার মধ্যে 22টি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার থেকে সামাজিক সমস্যা পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে উপন্যাস, 8টি বিভিন্ন ঘরানার ছোট গল্পের সংগ্রহ। মারাঠি ভাষায় তাঁর বেশ কিছু ছোটগল্প অনূদিত হয়েছে।তার একই শিরোনামের একটি প্রকাশিত উপন্যাস থেকে একটি ফিচার ফিল্ম, অন্তরাল নির্মিত হয়েছিল।  তার বিভিন্ন ছোটগল্প থেকে দুটি নাটক ও কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য কৃষ্ণেন্দু বিভিন্ন সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন

আনিসুল হক

লেখক পরিচিতি

আনিসুল হক একজন বাংলাদেশি কবি, লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক এবং কিশোর আলোর সম্পাদক পদে কর্মরত আছেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের সত্য ঘটনা নিয়ে তার লেখা “মা” বইটি বেশ জনপ্রিয়। বাংলা ভাষার পাশাপাশি বইটি দিল্লী থেকে ইংরেজি ভাষায় এবং ভুবনেশ্বর থেকে ওড়িয়া ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। ২০১০ সালে তিনি আমেরিকার ইন্টারন্যাশনাল রাইটিং প্রোগ্রাম (আইডব্লিউপি) কর্মশালায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩৭ জন লেখকের সাথে যোগ দেন। ২০১২ সালে কথাসাহিত্যে পান বাংলা একাডেমী পুরস্কার।

আনিসুল হকের জন্ম ১৯৬৫ সালের মার্চ ৪, রংপুর বিভাগের নীলফামারী।

 

বীথি চট্টোপাধ্যায়

একজন জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক । রামেশ্বর বালিকা বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন শুরু, পরে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে ১৯৭৮ সালে স্নাতক হন। সাংবাদিকতা দিয়ে সাহিত্য জগৎ এ পদার্পণ । পরবর্তীতে সম্পূর্ণ ভাবে সাহিত্য জগত এই নিজেকে সমর্পণ করেন । প্রকাশিত বই: ১৪ টি কবিতার বই।শ্রেষ্ঠ কবিতা দুটি সংস্করণ । ৬ টি উপন্যাস । ৩ টি ভ্রমণ । ১ টি গল্প সংকলন । ১ টি কলকাতা বিষয়ে স্মৃতিকথা । পুরস্কারঃ বুকশেলার গিল্ডের পক্ষ থেকে সুনীল স্মৃতি পুরস্কার ,যুগসঙ্খ পুরস্কার ,ভারত নির্মাণ পুরস্কার প্রমা পুরস্কার ,এছাড়াও বহু পুরস্কার পেয়েছেন। লেখক হিসেবে প্রথম ডাক পান সুইডেনে সুইডিশ আর্ট একাডেমি থেকে।এছাড়া কানাডা ,লন্ডন বাংলাদেশ এবং আমেরিকার বিভিন্ন শহরে সাহিত্য সেমিনারে যোগ দিয়েছেন।

মেহের আফরোজ শাওন

মেহের আফরোজ শাওন লেখক, চলচ্চিত্রকার, অভিনয় ও সঙ্গীত শিল্পী। দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী।

Ashoke Viswanathan

অশোক বিশ্বনাথন একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং লেখক।  যিনি বর্তমানে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট কলকাতার অধ্যাপক এবং ডিন। দেশ এবং আনন্দ বাজার পত্রিকার মতো জার্নাল ও সংবাদপত্রে সমসাময়িক সমাজ নিয়ে বাংলায় লেখার পাশাপাশি প্রখ্যাত সাহিত্যিকদের জীবন এবং নাট্যকারদের নিয়েও লেখালেখি এবং চিত্রগ্রহণ করেছেন। তিনি একজন জনপ্রিয় পাবলিক স্পিকার এবং চলচ্চিত্র এবং থিয়েটারের পাশাপাশি একাডেমিক এবং সাহিত্য জার্নালে (যেমন LENSIGHT, LONDON MISCELLANY এবং TAKE ONE) নিয়মিত লেখেন তিনি ফিচার ফিল্ম (শূন্য থেকে শুরু, কিছু সংলাপ কিছু প্রলাপ ইত্যাদি), তথ্যচিত্র, শর্ট ফিল্ম এবং টেলিভিশন শো সহ 150 টিরও বেশি চলচ্চিত্র প্রকল্পের পরিচালনা করেছেন। 

একজন সক্রিয় নাট্যকার এবং নাট্য অনুবাদক, তার সাম্প্রতিক লেখাগুলির মধ্যে রয়েছে ইকাত্তার কি লারাই এবং শেক্সপিয়ার ইন ভেনিস (2021)। বিশ্বনাথন একজন সক্রিয় থিয়েটার কর্মী বাংলা,ইংরেজি এবং হিন্দিতে ৪০টিরও বেশি নাটকে (আই.এস. জোহরের ভুট্টো সহ) অভিনয় এবং নাটক নির্দেশনা করেছেন। অশোক বিশ্বনাথন, বিশিষ্ট অভিনেতা এবং অধ্যাপক, এন.বিশ্বনাথনের পুত্র এবং প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ডক্টর কালিদাস নাগের নাতি। 

তিনি দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরির চেয়ারম্যান ছিলেন (2007, 2014)। 

বিশ্বনাথন নিউ জার্সির টাফ্টস ইউনিভার্সিটি, বোস্টন এবং মনমাউথ ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন।  টেম্পল ইউনিভার্সিটি এবং টিশ স্কুল অফ আর্টস সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং স্কলার হিসাবে ফিলাডেলফিয়া এবং নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

জাতীয় পুরস্কার ছাড়াও, ভারতের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (গোয়া) 6 বার ভারতীয় প্যানোরামা এন্ট্রি করেছেন;  তিনি ডাউনিং কলেজ, কেমব্রিজের চার্লস ওয়ালেস স্কলার. আধুনিক ব্রিটিশ কথাসাহিত্যের উপর ফেলোশিপ পেয়েছেন এবং পিয়ংইয়ং (1994) এ সিলভার টর্চলাইট পুরস্কারের পাশাপাশি দিশারী, বিএফজেএ, কালাকার এবং জেসিস পুরস্কার জিতেছেন।  EMRC, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, কলকাতার দ্বারা নির্মিত ফিল্ম এডিটিং-এর উপর 30টি পর্বের সিরিজের জন্য UGC-CEC পুরস্কার, 2006-এ বেস্ট রিসোর্স পার্শন এবং প্রেজেন্টার পুরস্কার পেয়েছেন।

POETRY PARADIGM-এর সভাপতি, তাঁর লেখা কবিতা বাংলা এবং ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

তাঁর কবিতার বই এবং ডন বিয়ন্ড দ্য ওয়েস্ট সহ বেশ কয়েকটি কবিতার সংকলন রয়েছে।

সেজান মাহমুদ

সাহিত্যে সেজান মাহমুদের বিচরণ বহুবিধ ক্ষেত্রে। একাধারে ঔপন্যাসিক, গল্পকার, চলচ্চিত্রকার, শিশু সাহিত্যিক এবং গীতিকবি। প্রকাশিতগ্রন্থ ৩৬টি। লিখেছেন ‘নেলসন মেন্ডেলা’, ‘কোন এক সুন্দরী রাতে’, ‘তবু ভালবাসি আমাদের ঢাকা’ সহ অনেক জনপ্রিয় গান। গবেষণাপত্র, বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে পঞ্চাশেরও অধিক। সেজান মাহমুদ পেশায় চিকিৎসা বিজ্ঞানী। বর্তমানে আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা কলেজ অব মেডিসিনে সহকারী ডিন এবং প্রফেসর অব মেডিসিন হিসাবে কর্মরত। বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস, আমেরিকার বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এন্ডোক্রাইনোলজিতে ফেলোশিপসহ জনস্বাস্থ্যে এমপিএইচ ডিগ্রী এবং বার্মিংহাম থেকে বিহেভিওরাল সায়েন্সে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পুরস্কারঃ সাহিত্যে পেয়েছেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমী পুরস্কার’, আওয়ার প্রাইড এওয়ার্ড (২০০৫), আইফা প্রদত্ত গ্লোবাল কর্পোরেট এওয়ার্ড, বিজ্ঞানে পেয়েছেন আমেরিকান এসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ ফ্যাকাল্টি স্কলার এওয়ার্ড, আমেরিকান পাবলিক হেলথ এসোসিয়েশন ‌‌’আরলি ক্যারিয়ার এওয়ার্ড’, এ্যালাবামা পাওয়ার ফাউন্ডেশন আউটস্ট্যান্ডিং এ্যাচিভমেন্ট এওয়ার্ড (২০০০), ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন ফেলোশিপ এওয়ার্ড (১৯৯৬)। সেজান মাহমুদ বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানসহ ফ্লোরিডার ওরল্যান্ডো শহরে বসবাস করেন।

ফরহাদ হোসেন

সাহিত্যে সেজান মাহমুদের বিচরণ বহুবিধ ক্ষেত্রে। একাধারে ঔপন্যাসিক, গল্পকার, চলচ্চিত্রকার, শিশু সাহিত্যিক এবং গীতিকবি। প্রকাশিতগ্রন্থ ৩৬টি। লিখেছেন ‘নেলসন মেন্ডেলা’, ‘কোন এক সুন্দরী রাতে’, ‘তবু ভালবাসি আমাদের ঢাকা’ সহ অনেক জনপ্রিয় গান। গবেষণাপত্র, বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে পঞ্চাশেরও অধিক। সেজান মাহমুদ পেশায় চিকিৎসা বিজ্ঞানী। বর্তমানে আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা কলেজ অব মেডিসিনে সহকারী ডিন এবং প্রফেসর অব মেডিসিন হিসাবে কর্মরত। বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস, আমেরিকার বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এন্ডোক্রাইনোলজিতে ফেলোশিপসহ জনস্বাস্থ্যে এমপিএইচ ডিগ্রী এবং বার্মিংহাম থেকে বিহেভিওরাল সায়েন্সে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পুরস্কারঃ সাহিত্যে পেয়েছেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমী পুরস্কার’, আওয়ার প্রাইড এওয়ার্ড (২০০৫), আইফা প্রদত্ত গ্লোবাল কর্পোরেট এওয়ার্ড, বিজ্ঞানে পেয়েছেন আমেরিকান এসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ ফ্যাকাল্টি স্কলার এওয়ার্ড, আমেরিকান পাবলিক হেলথ এসোসিয়েশন ‌‌’আরলি ক্যারিয়ার এওয়ার্ড’, এ্যালাবামা পাওয়ার ফাউন্ডেশন আউটস্ট্যান্ডিং এ্যাচিভমেন্ট এওয়ার্ড (২০০০), ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন ফেলোশিপ এওয়ার্ড (১৯৯৬)। সেজান মাহমুদ বর্তমানে স্ত্রী-সন্তানসহ ফ্লোরিডার ওরল্যান্ডো শহরে বসবাস করেন।

বেনজির শিকদার

লেখক পরিচিতি বেনজির শিকদারের জন্ম টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানায়। ছোটবেলা কেটেছে গ্রামের অনাড়ম্বর প্রকৃতির কোলে। জীবন খুঁজে বেড়ান বইয়ের মাঝে, প্রকৃতির মাঝে, সংগীতের মাঝে সর্বোপরি বাংলা সংস্কৃতির মাঝে। পড়াশোনা করেছেন আইন বিষয়ে। ২০০৮ সাল হতে সপরিবারে বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দুট— নাকফুল এবং অনুভূতির মিছিলে ভালোবাসার জীবাশ্ম।

দিলীপ চক্রবর্তী

উদ্বাস্তু পরিবারে চরম আর্থিক কষ্টের মধ্যে বেড়ে ওঠা দিলীপ চক্রবর্তীর লেখালেখির প্রবণতা ছিল। সত্তরের মাঝামাঝি সময়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান ।সেখানে তিনি তার পেশাগত জীবন নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও পাশাপাশি লেখা চালিয়ে যান। তাঁর প্রবন্ধ, কবিতা ও ছোটগল্প যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি মানবতার কল্যাণ সাধনেও নিবেদিত হয়েছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং পশ্চিমবঙ্গে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন, তিনি তার বই “America A dream of Dreams” এর জন্য “মাইকেল মধুসূদন সাহিত্য একাডেমী” পুরস্কার পেয়েছেন। তার জনহিতকর কাজের জন্য তিনি ““Philanthropist of the year 2005”,খেতাব পেয়েছিলেন, মানবতার জন্য তার অক্লান্ত পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে একটি স্বর্ণপদক এবং পাঁচ লাখ রুপি প্রদান করা হয়েছিল। তার সাম্প্রতিকতম প্রকাশিত বই “ওয়াকিং অ্যালোন” এই 23 এবং 24 এপ্রিল, 2022-এ লস অ্যাঞ্জেলেসের “বুক ফেয়ার”-এ পাওয়া যাচ্ছে।

রূপা মজুমদার

রূপা মজুমদার একাধারে ‘দেব সাহিত্য কুটীর’-এর ডিরেক্টর এবং বহুল প্রচলিত বাংলা পত্রিকা ‘নবকল্লোল’ ও ‘শুকতারা’-র সম্পাদক। পাশাপাশি ‘জাগো বাংলা’ পত্রিকা ও ‘হইচই’ ওয়েব সিরিজের সম্পাদক মণ্ডলী ও উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য।  তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন শাস্ত্রে স্নাতকোত্তর। বিজয়গর কলেজে আংশিক সময়ের জন্য শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে একাধিক উল্লেখযোগ্য সংস্থার  সম্মানিত সদস্য।

রুদ্রশংকর

কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান হুগলি জেলায় বেড়ে ওঠা রুদ্রশংকরের লেখালিখি শুরু নব্বুয়ের দশকে। ভারত-বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পত্রপত্রিকায় ও কবিতা সংকলনে লেখা প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার কাজে জড়িত থাকায় বর্তমান নিবাস আটলান্টা। উচ্চতর গবেষণার স্বিকৃতী হিসেবে তরুণ বয়সেই পেয়েছেন সাতটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার, একাধিক দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত জার্নালে সম্পাদনার দায়িত্ব। বিজ্ঞান চর্চার পাশাপাশি কবিতাতেও রয়েছে স্বকীয়তা। ছন্দ নিয়ে খেলা করতে ভালবাসেন ও সাবলীলভাবে ছন্দ ভাঙতে জানেন। স্বাভাবিক ছন্দময়তার কারনে অনেক কবিতা সুরারোপিত হয়েছে। ২০১৬ সালে পেয়েছেন ভাষানগর পুরস্কার এবং কবিতার অবলম্বনে নির্মিত গানের জন্য পেয়েছেন ২০২০ মিরচি মিউসিক এ্যাওয়ার্ড। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা আট।

সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায়

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার শেষে বিএড এবং সাথে কিছুদিনের শিক্ষকতা-জীবন। তারপরেই প্রবাসে পাড়ি। গত চব্বিশ বছর যাবৎ ঠিকানা নিউ জার্সি। পেশায় শিক্ষিকা।সায়েন্টিফিক ফিচার ,কবিতা ,প্রবন্ধ স্কুল কলেজের ম্যাগাজিনে বেরোলেও লেখার জগতে আসা ২০০৮ সালে প্রবাস জীবনের একাকীত্ব কাটাতে, ছদ্মনামে ব্লগ লেখা দিয়ে শুরু। 

এভাবেই একাকী মুহূর্তের কথা ভাবতে ভাবতে লেখা আর লিখতে লিখতেই শেখা! 

২০১০ থেকে ইন্ডিয়া ,উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া,কানাডা,বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও শারদীয়াতে নিজের নামে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লেখা চলতে থাকে,সাথে দুটো পত্রিকার সহ সম্পাদনার কাজ।

শিকড়ের টানে কমিউনিটির বিভিন্ন ভলেন্টারি কাজের পাশাপাশি বাংলা ভাষা ,বাংলার সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বাংলা স্কুলে পড়ান ,নাটক লিখে বাচ্চাদের দিয়ে নাটক করান।

নিজেও নাটক ও সঞ্চালনা করে সময় কাটাতে ভালবাসেন| 

বেশ কয়েকবছর ধরে NABC Literary Seminar এর সাথে যুক্ত।

২০২১ এবং ২০২২ এ কার্যনির্বাহী সহ সভাপতির ভুমিকায় কাজ করছেন।

অমৃতা মুখার্জী

অমৃতা মুখার্জী পেশায় একজন ব্যস্ত চিকিৎসক হয়েও নিয়মিত লিখছেন। বাংলা ও ইংরাজি দুই ভাষাতেই লেখেন। থাকেন আমেরিকার ফ্লোরিডায়। জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েট, সঙ্গে রয়েছে শান্তিনিকেতনের উত্তরাধিকার। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা এগারো। প্রথম বই ‘হাউস ওয়াইফ’ চলচ্চিত্রায়নের পথে, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

মৌসুমী হোসেন

মৌসুমী হোসেন দুই বাংলার একজন পরিচিত কণ্ঠশিল্পী, যিনি বাংলা কবিতা ও ছড়াকে সুরে সুরে উপস্থাপন করেন। দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব সুরে অথবা প্রথিতযশা সুরকারদের সুরে বাংলা কবিতা অবলম্বনে গান করছেন। কলকাতা এবং ঢাকার বিভিন্ন মিউজিক কোম্পানি থেকে রিলিজ হওয়া কবিতা/ছড়া অবলম্বনে তৈরি একাধিক গান ইতিমধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

মৌ মধুবন্তী

মৌ মধুবন্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল এবং পরিবেশ বিভাগ থেকে ১৯৮৬ সালে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে উত্তর আমেরিকায় নিউইয়র্কের হ্যান্টার কলেজে এনভারোমেন্টাল সায়েন্স পড়তে যান। তারপর কানাডায় ফুড এন্ড নিউট্রিশন ম্যানেজম্যান্টে ও ফাইনান্সিয়াল প্লানিং এ ডিগ্রী নিয়ে টরন্টো পাবলিক হেলথে কাজ করছেন। পেশার বাইরে মৌ মধুবন্তী একজন কবিতাকর্মী,গীতিকার, আবৃত্তিকার, সংগঠক ,সঞ্চালক। বিভিন্ন এন্থোলোজির সম্পাদক হিসাবে কাজ করেন। NRBNews24 er সঞ্চালক ছিলেন। নভেম্বর মাস ২০২০ ওয়ার্ল্ড পোয়েট্রির ফ্যাস্টিভাল,রুয়ার নর্থ আমেরিকান চিফ এন্ড কনভেনর। ২০২১- বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সমাবেশ সহ -সমন্বয়ক। লেখেন বাংলা, ইংরেজীতে। প্রকাশিত বইঃ মোট ১১টি কবিতার বই আছে। একটি বাংলা, ইংরেজী ও স্প্যানিশ ভাষায় কবিতার বই ১ টি গল্পের বই। পুরস্কার: ওয়ার্ল্ড পোয়েটিক স্টার এবং ইন্টারন্যাশনাল কালচারাল অ্যাম্বাসেডর অ্যাওয়ার্ড-2021, বুড়িগঙ্গা শান্তি ও পরিবেশ 2020, হ্যানেস অ্যাওয়ার্ড শান্তি পুরস্কার 2019, ওডিসি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কার 2019, ক্যান বাংলা সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ড ২০১২, SAFSS স্বেচ্ছাসেবক ও সাহিত্য পুরস্কার 2006-2007-2009, BCCS কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড, 1999 সালের কবিতা প্রতিযোগিতার জন্য Poetry.com পুরস্কার

বিশ্বদীপ চক্রবর্তী

পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, থাকেন মিশিগান। গল্প লেখেন। দুটি গল্পগ্রন্থ – ‘যেবার পেলে এসেছিল’ এবং ‘বাবালি বাবালি বাবালি’। তিন খন্ডে বিস্তৃত অভিবাসী জীবনকেন্দ্রিক উপন্যাস ‘ছায়াপাখি’ । সাহিত্য সংগঠক। শুরু করেছিলেন ‘কথামালা’ প্রবাসী বাঙালি সাহিত্যিকদের নিয়ে সম্মেলন। অভিবাসী সাহিত্যকদের লেখা নিয়ে রুট৬৬ প্রকাশে জড়িত ছিলেন ২০২০তে। অন্তর্জালে প্রকাশিত বাংলা ছোটগল্পের আলোচনার জায়গা বানিয়েছেন ‘সেরাগল্প’। The Antonym ইংরাজি ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক যার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ পৌঁছে দিচ্ছেন বিশ্বসাহিত্যে।

হুমায়ুন কবীর

হুমায়ূন কবির পেশায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, বসবাস করেন টেনেসি অঙ্গরাজ্যের নক্সভিল শহরে l পেশাগত কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন নিরলস ভাবে l দুই বাংলা থেকে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দশ l তিনি ‘ঘুংঘুর’ নামের একটি আন্তর্জাতিক সাহিত্যপত্রের সম্পাদক l এছাড়াও উত্তর আমেরিকার নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত l

ডঃ ধনঞ্জয় সি. সাহা

ডঃ ধনঞ্জয় সি. সাহা একজন অধ্যাপক, বিজ্ঞানী, লেখক এবং একজন কবি। তিনি ব্রঙ্কস, এনওয়াই-এর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কলেজ অফ মেডিসিনের গবেষক এবং অধ্যাপক। এছাড়াও, বিজ্ঞান ও সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অবদান আছে।সম্প্রতি, তিনি শিশুদের জন্য থিম-ভিত্তিক ছড়া লিখতে শুরু করেছেন যেখানে বিনোদনের সাথে শিক্ষাও নিবিড়ভাবে যুক্ত।তিনি উত্তর আমেরিকা বেঙ্গলি লিটারারি কনফারেন্স 2021-এর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ডঃ সাহা নিউইয়র্কে অবস্থিত বেঙ্গলি ইন্টারন্যাশনাল লিটারারি সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।